শিরোনাম
অনলাইন ডেস্ক: | ০৬:৫৮ পিএম, ২০২৬-০৯-০৭
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে তিনটি বিল পাস করেছে বিএনপি সরকার। এর মধ্যে দুটি মানবাধিকার সুরক্ষা-সংক্রান্ত এবং অপরটি পিতা-মাতাকে আজীবন ভোগস্বত্ব বজায় রেখে সন্তানদের কাছে সম্পত্তি হস্তান্তরের সুযোগ প্রদান-সংক্রান্ত ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, যা কুরআন-সুন্নাহ পরিপন্থী।
পাস হওয়া ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এ গুমের ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। এ আইনে একজন উপপরিদর্শক (এসআই) বা নির্ধারিত তদন্ত কর্মকর্তা এসব মামলার তদন্ত করবে। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশে গুমের ঘটনা তদন্তের একচ্ছত্র ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে। নতুন আইনে সেই কাঠামো পরিবর্তন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬’-এ আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সরাসরি তদন্তের ক্ষেত্রে কমিশনের প্রশাসনিক ক্ষমতা অনেকটাই সীমিত করা হয়েছে। বিরোধী দল ও দেশীয়-আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা শুরু থেকেই এই ধারাটি সংশোধনের দাবি জানিয়ে আইনটির সমালোচনা করে আসছিল।
এছাড়া ১৮৮২ সালের পুরোনো আইন পরিবর্তন করে পাস করা হয়েছে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন ২০২৬’। নতুন এই আইন অনুযায়ী, পিতা-মাতা বা দাদা-দাদি যদি সন্তান বা নাতি-নাতনিকে (কিংবা বিপরীতভাবে) অথবা স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে কোনো সম্পত্তি দান করে, তবে দানকারী ব্যক্তি তার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি স্বাচ্ছন্দে ব্যবহার ও ভোগদখলের পূর্ণ আইনি অধিকার ধরে রাখতে পারবে।
শরিয়াহ আইন অনুযায়ী, হেবা বা দানের ক্ষেত্রে যাকে সম্পত্তি দেওয়া হবে, তার কাছে তাৎক্ষণিকভাবে মালিকানা ও ভোগদখলের অধিকার হস্তান্তর হওয়া আবশ্যক। কিন্তু নতুন আইনের বিধানে দাতা ব্যক্তিকে জীবদ্দশায় সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ ও ভোগদখলের অধিকার ধরে রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা শরিয়াহর হেবা ও উত্তরাধিকার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কুরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন পাস করা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
এ ধরনের বিধান কার্যকর হলে আল্লাহ’র নির্ধারিত মিরাস (উত্তরাধিকার) ব্যবস্থাকে পাশ কাটানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে এবং বৈধ উত্তরাধিকারীদের অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শরিয়াহ বিধান অনুযায়ী, জীবদ্দশায় সম্পত্তি হস্তান্তর হলে গ্রহীতার মালিকানা ও দখল নিশ্চিত হতে হয়, আর মৃত্যুর পর কার্যকর হওয়ার বিষয়টি অসিয়তের আওতায় পড়ে, যারও নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে।
তথ্যসূত্র:
১। বিরোধী দলের ওয়াকআউটের মধ্যেই সংসদে ৩ গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস
– https://tinyurl.com/bpcn7a8t
আমাদের ডেস্ক : : বান্দরবানের লামা উপজেলার ৩ নম্বর ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছার মুখ এলাকা থেকে তিন কিশোরী নিখোঁজ হ...বিস্তারিত
টেকনাফ প্রতিনিধি : : দীর্ঘ অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত ও জাহাজ চলাচল নিয়ে সুখবর আসতে যাà...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো তিন মাসব্যাপী 'কক্সবাজার পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬' শুরু হচ্ছে ১ নভেম্বà...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : টেকনাফে ১৬ এপিবিএন ও টেকনাফ থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে অপহৃত চারজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজারের চকরিয়ায় কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ইসফাতুল ইসলাম জিসান অপহরণ ও হতà...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : উত্তরের পঞ্চগড় থেকে দক্ষিণ-পূর্বের সীমান্ত শহর কক্সবাজার— দেশের দুই প্রান্তকে সরাসরি এক সুতোয়...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited