শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ০৪:১০ পিএম, ২০২৬-০৮-০৭
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের নামে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মসজিদের মাইক খুলে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অপব্যাখ্যা করে একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। তবে রাজ্য প্রশাসনের দাবি, ধর্ম নয়; শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের অভিযোগ, পর্যায়ক্রমে মসজিদে কিংবা প্রকাশ্যে আজান দেওয়ার ওপর বিধিনিষেধ আরোপের চেষ্টা চলছে। তাদের দাবি, শব্দদূষণের অজুহাতে বিভিন্ন এলাকায় মসজিদের মাইক খুলে ফেলতে বাধ্য করা হচ্ছে।
রাজ্যের বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী, আবাসিক এলাকায় দিনের বেলায় সর্বোচ্চ ৫৫ ডেসিবেল এবং রাতে ৪৫ ডেসিবেলের মধ্যে শব্দের মাত্রা রাখতে হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্বিশেষে এই বিধি সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।
এদিকে বিজেপির কয়েকজন নেতা শব্দ নিয়ন্ত্রণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ঘরের মধ্যেই পালন করা উচিত এবং মাইক ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। অপরদিকে দলের জ্যেষ্ঠ নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, অন্যের অসুবিধা এড়িয়ে সবারই শব্দের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত।
অন্যদিকে মুসলিম নেতা ও আইন বিশেষজ্ঞদের দাবি, কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের কোনো রায়েই মাইক সম্পূর্ণ বন্ধ বা খুলে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। বরং নির্ধারিত শব্দসীমা মেনে মাইক ব্যবহারের কথাই বলা হয়েছে।
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নজরুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত শব্দসীমার মধ্যে মাইক ব্যবহারে কোনো আপত্তি নেই। তবে লিখিত সরকারি নির্দেশ ছাড়া পুলিশ যদি জোরপূর্বক মাইক খুলতে আসে, তাহলে ভিডিও প্রমাণ সংরক্ষণ করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
আইএসএফের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী অভিযোগ করেন, লিখিত নির্দেশনা ছাড়া পুলিশের এমন পদক্ষেপ সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদের পরিপন্থি। তিনি এ বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রকাশের দাবি জানান এবং কলকাতা হাইকোর্টে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, শব্দদূষণ মন্দির, মসজিদসহ সব ধর্মীয় স্থান থেকেই হতে পারে। তাই স্থানীয়ভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিত। একই ধরনের মত দেন সিপিএম নেতা ও আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, নির্ধারিত শব্দসীমা মেনে চললে পুলিশ সরাসরি গিয়ে মাইক খুলে দিতে পারে না।
এদিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার মধ্যেই বৃহস্পতিবার সংসদের অধিবেশন শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলত্যাগী তিন সংখ্যালঘু এনসিপিআই এমপি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মসজিদের মাইক অপসারণের অভিযোগসংবলিত লিখিত আবেদন ও ভিডিও প্রমাণ জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
অনলাইন ডেস্ক: : মুসলিম পরিচয়ের কারণে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে গালিগালাজ ও মারধর করেছে দুই উগ্র à...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : গাজায় ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত শহীদ ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়ে ২৬...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : রানওয়ে প্রস্তুত, আধুনিক টার্মিনালও প্রস্তুত। অবকাঠামোর বড় অংশের কাজ শেষ হলেও সামনে রয়েছে আরেক চ্à¦...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : ভারতের রাজস্থানের আলওয়ার জেলায় বারোদা মেও থানার সামনে পাথরের আঘাতে এক মুসলিম ব্যক্তিকে হত্যা ক...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : ইহুদীবাদি সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘের সà¦...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে à...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited