শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০৭:৫৫ পিএম, ২০২৫-০৭-৩১
বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা মৌজার দিয়ারা জরিপকে কেন্দ্র করে নতুন করে অপপ্রচারে মেতে উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ দালাল চক্র। ভূমি মালিক ও সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের বিভ্রান্ত করতে একটি মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (বিশেষত ফেসবুকে) ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে—যেন নাকি জরিপ সার্ভেয়াররা রাতের আঁধারে পালিয়ে গেছে।
গত ৩০ জুলাই ঝিলংজা মৌজার বুঝরাত স্তর খোলার নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ায় জরিপকার্য সমাপ্ত করে সংশ্লিষ্ট সার্ভেয়ারদের চট্টগ্রাম জোনাল সেটেলমেন্ট অপারেশন অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে। এটাই প্রচলিত সরকারি প্রক্রিয়া হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘সার্ভেয়াররা রাতের আঁধারে পালিয়ে গেছে’—এমন মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ দালাল চক্র।
এই অপপ্রচারে অংশ নিয়েছে কিছু অসাধু ব্যক্তি, যাদের মধ্যে রয়েছে ভূমি অফিসের উম্মেদার নামধারী কয়েকজন ব্যক্তি ও অতীতে দালালি কাজে সক্রিয় চক্রের সদস্যরা।
সূত্র মতে, ঝিলংজা মৌজায় বুঝরাত স্তর খোলার নির্ধারিত সময় ছিল গত ৩০ জুন পর্যন্ত। তবে এলাকাবাসীর সুবিধার্থে এই সময়সীমা বাড়িয়ে ৩০ জুলাই পর্যন্ত করা হয়। নির্ধারিত কার্যক্রম শেষে নিয়ম অনুযায়ী ঝিলংজা মৌজার জরিপে নিয়োজিত সার্ভেয়ারদের চট্টগ্রাম জোনাল সেটেলমেন্ট অপারেশন অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে, যা একটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক এবং পূর্বনির্ধারিত প্রক্রিয়া।
এ প্রসঙ্গে ভূমি জরিপ অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে—"কারও দ্বারা বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকল সেবাপ্রাপ্তিকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে। দালাল চক্র নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে।"
এদিকে কক্সবাজার সদর ভূমি অফিসের কেউ যদি এমন মিথ্যা প্রচারে জড়িত থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
একই সাথে সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কয়েকজন স্থানীয় দালাল ও কিছু অসাধু ব্যক্তি এই অপপ্রচারের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ডিজিটালাইজড রেকর্ডিং প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির সুযোগ কমে আসায় একাংশ দালাল ও অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী এখন জরিপ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
ভূমি জরিপ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বলেন, “বর্তমান ভূমি জরিপ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ স্বচ্ছভাবে সেবা পায়। তাই কেউ গুজবে কান না দিয়ে সরাসরি ভূমি অফিস বা নির্ধারিত সার্ভেয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।”
এ ব্যাপারে সচেতন নাগরিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি—এমন মিথ্যা প্রচারকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং দালাল নির্ভরতা থেকে ভূমি প্রশাসনকে মুক্ত করা হোক।
ভূমি সংশ্লিষ্ট যে কোনো তথ্যের জন্য সরাসরি সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে জানুন। অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সরকারি ওয়েবসাইট বা অফিসিয়াল নোটিশের ওপর নির্ভর করুন।
অনলাইন ডেস্ক: : দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজন মারা গেছেন। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হা...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : কোনো রাজনৈতিক দলেরই সড়ক, মহাসড়ক, বড় ক্রসিং, টোল প্লাজা কিংবা সরকারি ভবন দখল করে রাখার আইনগত অধিকার ন...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : বিশেষ প্রতিবেদক: ঢাকার পশ্চিম কাওরান বাজারস্থিত ২০/২১ নং গার্ডেন রোডে “গার্ডেন মার্কেট লিমিটà...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : ঢাকায় রেস্টুরেন্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর চট্টগ্রামের হোটেল-রেস্টুরেন্টেও অভিযান শুরু করছে ফায...বিস্তারিত
রাঙামাটি প্রতিনিধি : : খাগড়াছড়িতে সার্বজনীন রাস উৎসব ঘিরে লোক সমাগম বেড়েছে মন্দিরে মন্দিরে। বিশ্বমানবতার কল্যাণ ও শà¦...বিস্তারিত
টেকনাফ প্রতিনিধি : : কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিং ডে- ২০২১ পালিত হয়েছ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited