শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২:০৮ এএম, ২০২১-০৩-১৩
১২ কিলোমিটারের সুড়ঙ্গ সড়কটি তৈরিতে ব্যয় হবে ২০৫১ কোটি ২০ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। সড়ক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। পাউবো কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী প্রথম আলোকে বলেন, ২০৫১ কোটি টাকার এই সড়ক প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য গত বছরের ডিসেম্বরে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। গত ৪ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ে যাচাইবাছাই কমিটির সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এখন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) উত্থাপনের জন্য প্রকল্পটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আছে। এটি বাস্তবায়নে সময় লাগবে চার বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের জুন মাসে প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা। চলতি মার্চ মাসে একনেকে প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে আগামী এপ্রিল মাস থেকে সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন প্রবীর কুমার।
কী থাকছে সুড়ঙ্গ সড়কে
কলাতলী মেরিন ড্রাইভ থেকে (বেইলি হ্যাচারির পাশ) শুরু হয়ে হোটেল সায়মনের সামনে দিয়ে উত্তর দিকে (সমুদ্রসৈকতের তীর ঘেঁষে) সুগন্ধা, সিগাল, লাবণী, ডায়াবেটিক হাসপাতাল পয়েন্ট হয়ে আঁকাবাঁকা পথে নাজিরারটেক পর্যন্ত যাবে ১২ কিলোমিটারের এই সুড়ঙ্গ সড়কটি। নাজিরারটেক অংশে যুক্ত হবে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংযোগ সড়ক। সৈকতের বালুচরে সৃজিত ঝাউবাগান ঠিক রেখেই সড়কটি তৈরি হবে।
নকশা থেকে দেখা গেছে, সড়কের মধ্যে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার হবে মাল্টিফাংশনাল। এর মধ্যে কলাতলী থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত থাকবে ২ দশমিক ৮ কিলোমিটার এবং ডায়াবেটিক হাসপাতাল পয়েন্ট থেকে নাজিরারটেক পর্যন্ত হবে ২ কিলোমিটার; যেখানে থাকবে শপিংমল, দোকানপাট, ওয়াশরুম, লকার, কফিশপ, রেস্তোরাঁ প্রভৃতি। সড়কটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, কক্সবাজার পৌরসভা, জেলা প্রশাসন, বন, পর্যটন, পরিবেশ ও বিদ্যুৎ বিভাগের।
সমতল থেকে সড়কটির উচ্চতা হবে ১২ ফুট, প্রস্থ ৫০ ফুট। সুড়ঙ্গের আদলে তৈরি সড়কের দুই পাশে গাড়ি পার্কিং এবং ওয়াকওয়ে বাদ দিয়ে দুই লেনের সড়ক হবে ৩০ ফুট। দিনের বেলায় সৈকতের এমন রূপ মানুষকে যতটুকু মুগ্ধ করবে, রাতের আলোকোজ্জ্বল ঝলমলে সড়কটি আনন্দের মাত্রা বাড়াবে আরও কয়েকগুণ।
সড়কের পশ্চিম পাশে থাকবে ১০ ফুট প্রস্থের সাইকেলওয়ে। ৯০-১০০ ফুট প্রস্থের থাকবে ওয়াকওয়ে, যেখানে লোকজনের হাঁটাচলার পাশাপাশি বিশ্রামের ব্যবস্থাও থাকবে। সেখানে বসানো হবে ৭০০টি চেয়ার। ওয়াকওয়ের সামনে (পশ্চিমে) বসানো হবে ছাতা-চেয়ার (কিটকট)।
কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, বহুমুখী সড়ক প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সৈকতের চেহারাই পাল্টে যাবে। দেশি-বিদেশি পর্যটকের আগমন বেড়ে যাবে কয়েকগুণ, তখন রাজস্ব আয়ও বাড়বে। প্রসার ঘটবে ব্যবসা-বাণিজ্যের।
অনলাইন ডেস্ক: : কক্সবাজার খেলোয়াড় সমিতির আন্তঃউপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর জমজমাট সেমিফাইনালে চকরিয়া উপজেল...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রামসহ দেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের বেড়িবাঁধের সীমান্ত সড়কের কয়েকটি জায়গার সিসি ব্লক সরে যাচ্ছে ঢেউয়ের ধাক...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : সারা দেশে আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে খুনাখুনি। রাজনৈতিক কোন্দল, দখল, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, ব্যক্তিগত দ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : আপনার এলাকার কোনো সংবাদ, সমস্যা, সম্ভাবনা, মানবিক গল্প, বিশেষ ফিচার কিংবা প্রয়োজনীয় তথ্য থাকলে তা আ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) কমান্ডারসহ দুজ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited