শিরোনাম
অনলাইন ডেস্ক: | ০৭:১৩ পিএম, ২০২৬-১০-০৫
মুসলিম পরিচয়ের কারণে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে গালিগালাজ ও মারধর করেছে দুই উগ্র হিন্দুত্ববাদী সমর্থক। গত ২৪ সেপ্টেম্বর কলকাতার তালতলা এলাকায় শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন মোঃ আশিক বিল্লাহ, মোয়াজ্জেম হোসেন ও হাসানুর জামান। তারা আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তালতলা ক্যাম্পাসের ইসলামিক থিওলজি বিভাগের শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে তালতলা ক্যাম্পাস থেকে শিয়ালদহ রেলস্টেশনের দিকে যাচ্ছিল এই শিক্ষার্থীরা। তখন একটি হাসপাতালের কাছে দুই উগ্র হিন্দুত্ববাদী তাদের পথ আটকায়। উগ্রপন্থী দুই জন মোটরসাইকেলে আরোহী ছিল।
শিক্ষার্থী আশিক বিল্লাহ অভিযোগ করেন, দুই উগ্রপন্থী তাদের সাথে অশালীন ভাষায় কথা বলতে শুরু করে, তারা মুসলিমবিদ্বেষী উস্কানিমূলক মন্তব্য করছিল। শিক্ষার্থীরা কোনও বিরোধে জড়াতে না চাইলেও ওই ব্যক্তিরা জোরপূর্বক ঝামেলা তৈরির চেষ্টা করেছিল।
আশিকের ভাষ্য, দাড়ি-টুপি দেখে তাদেরকে ‘জিহাদি’ ও ‘জঙ্গি’ বলে সম্বোধন করে হিন্দুত্ববাদীরা। একপর্যায়ে উগ্রপন্থীরা মারধর শুরু করে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের চড়, ঘুষি মারা হয় এবং তাদের পোশাক টানাটানি করে লাঞ্ছিত করা হয়।
আশিককে টেনে একটি গলির দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। তখন মোয়াজ্জেম ও হাসানুর তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন। হিন্দুত্ববাদীরা তাদের তিনজনকেই মারধর করেছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
হামলার সময় আশিকের মাথায় জোরে আঘাত লাগে। হাসানুরের মুখেও আঘাত লাগে, ফলে তার দাঁত থেকে রক্ত বের হয়। হামলাকারীরা তাদেরকে হত্যার হুমকিও দিয়েছিল।
আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি মোঃ মুতাসিম বিল্লাহ অভিযোগ করেন, এর আগে ওই এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন নারী শিক্ষার্থীও ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্যের শিকার হয়েছিলেন। কিন্তু ক্ষতির আশঙ্কায় তারা প্রকাশ্য কোনও অভিযোগ করেননি।
এফআইআর নিতে পুলিশের অনীহা,
ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা অন্য শিক্ষার্থীরাসহ তালতলা থানায় যান। শিক্ষার্থীরা এ ঘটনার অভিযোগ দায়েরের ব্যাপারে পুলিশের কাছে পরামর্শ চান। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পুলিশ প্রথমে এফআইআর না করার ব্যাপারে পরামর্শ দেয়, এর পরিবর্তে সাধারণ লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলে।
ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করতে পুলিশকে অনুরোধ জানায় শিক্ষার্থীরা। কিন্তু তাদের অনুরোধকে পুলিশ গুরুত্ব দেয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
পাল্টা মামলার হুমকি হিন্দুত্ববাদী সমর্থকের,
শিক্ষার্থীদের আরও অভিযোগ, থানায় তারা অভিযুক্তদের একজনকে দেখতে পেয়েছিল। ওই ব্যক্তি আশিকের দিকে হুমকিমূলক ইশারা করছিল। এদিকে স্থানীয় বিজেপির এক নেতাও এফআইআর না করতে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এফআইআর করলে পাল্টা মামলায় তাদেরকেও জড়ানো হবে বলে সে হুমকি দেয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, তারা নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান, আইনি লড়াই চালানোর মতো আর্থিক সামর্থ্য তাদের নেই। পাশাপাশি সম্ভাব্য পাল্টা মামলার আশঙ্কায় শেষ পর্যন্ত তারা এফআইআর দায়েরের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/56bpzb89
অনলাইন ডেস্ক: : গাজায় ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত শহীদ ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়ে ২৬...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : রানওয়ে প্রস্তুত, আধুনিক টার্মিনালও প্রস্তুত। অবকাঠামোর বড় অংশের কাজ শেষ হলেও সামনে রয়েছে আরেক চ্à¦...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : ভারতের রাজস্থানের আলওয়ার জেলায় বারোদা মেও থানার সামনে পাথরের আঘাতে এক মুসলিম ব্যক্তিকে হত্যা ক...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : ইহুদীবাদি সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘের সà¦...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে à...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : কোভিড-১৯ মহামারির সময় টিকা কেনাকাটাসহ এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের নথিপত্র খুঁজে ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited