শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০৮:০৪ পিএম, ২০২৬-১১-০৩
মোহাম্মদ মহি উদ্দিন, মহেশখালী
কক্সবাজারের মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় তৈরি ১টি এলজি ও এক রাউন্ড কার্তুজসহ মো. লোকমান (৩২) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পরে গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে নিয়ে আসার পথে তাঁর স্বজন ও সহযোগীদের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (২ নভেম্বর) রাত ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কাঠালতলী পাড়ার ছড়ার পাশে বাঁশতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মহেশখালী থানা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, হোয়ানক ইউনিয়নের কাঠালতলী পাড়ার ছড়ার পাশে বাঁশতলা এলাকায় কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি একজনকে হত্যার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। পরে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সুলতানের তত্ত্বাবধানে পিএসআই মোহাম্মদ ইকবালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্রধারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে অন্যরা পাহাড়ের দিকে পালিয়ে গেলেও পুলিশ একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন পালিয়ে যায় বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার লোকমানকে নিয়ে আসার সময় তাঁর স্বজন ও সহযোগীরা পুলিশের উপর হামলা চালায়। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে তাঁদের মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানায়, উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে গ্রেপ্তারকৃত মোঁ লোকমানের দেহ তল্লাশি করে তাঁর পরিহিত লুঙ্গির বাঁ কোমরের ভাঁজ থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি ও একটি লাল রঙের ১২ বোর কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। পরে রাত ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে সেগুলো জব্দ করা হয়।
পুলিশের রেকর্ড ও সিডিএমএস যাচাইয়ের বরাত দিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আটককৃত লোকমানের বিরুদ্ধে মহেশখালী থানায় হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতির প্রস্তুতি, মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১১টি মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে নাম রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় অভিযোগপত্রেও তাঁর নাম রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আটককৃত মো. লোকমান কালারমারছড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নোনাছড়ি এলাকার মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে।
এ ঘটনায় আটককৃত ও পলাতক অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মহেশখালী থানা পুলিশ।
অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী আটক বিষয়ে মহেশখালী থানার ওসি মো. আব্দুস সুলতান বলেন, উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।
উখিয়া প্রতিনিধি : কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের উভয় পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্র...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ওয়াজেদুল হক মণি : কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ও মহেশখালী দ্বীপের মধ্যে সংযোগকারী বদরখà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ওয়াজেদুল হক মণি : কক্সবাজারের মহেশখালীতে আন্তর্জাতিক অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্ম ১xবেটের (1xBet) স্থà...বিস্তারিত
উখিয়া প্রতিনিধি : ইউসুফ নুর: কক্সবাজারের উখিয়ার ছোট ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসে জ্বলে ওঠা আগুনের ঘটনায় নি...বিস্তারিত
উখিয়া প্রতিনিধি : উখিয়া উপকূলীয় প্রতিনিধি: ইউসুফ নুর কক্সবাজারের উখিয়ার ছোট ইনানীতে নলকূপ স্থাপনের জন্য মাটি খন...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বহিরাগত শেফায়ত ইসলাম নয়নের বিরুদ্ধে অফà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited