শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০৮:৫৮ পিএম, ২০২৬-০৮-০৬
এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে একটি নতুন বিশেষায়িত বাহিনী গঠনের চূড়ান্ত উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন এই বাহিনীর নাম প্রস্তাব করা হয়েছে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’। এ লক্ষ্যে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর একটি খসড়া তৈরি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে এবং জনসাধারণের মতামত আহ্বান করা হয়েছে।
খসড়া আইন অনুযায়ী, এসআরবি হবে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এর প্রধান হিসেবে থাকবেন অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক (DG)। বাহিনীর সদর দপ্তর ঢাকায় থাকলেও প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের যেকোনো স্থানে ব্যাটালিয়ন, কোম্পানি বা প্লাটন গঠন করা যাবে।
এই ইউনিটে কেবল পুলিশ নয়, বরং সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকেও সদস্যদের প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রেষণে নিয়োগের মেয়াদ হবে ন্যূনতম দুই বছর।
এসআরবি-এর সদস্যদের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বিশেষ কিছু ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট অপরাধ দমন, মাদক, অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক, মানবপাচার, সাইবার অপরাধ এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযান পরিচালনার ক্ষমতা।
খসড়া অনুযায়ী বাহিনীর সদস্যরা তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার করতে পারবেন।
মামলা তদন্ত: আদালত বা আইজিপির নির্দেশে ফৌজদারি মামলার তদন্ত করার সুযোগও রাখা হয়েছে। তদন্তের প্রয়োজনে বাহিনীর নিজস্ব হাজতখানা, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ থাকবে।
জবাবদিহিতা ও ‘অভিযোগ প্রতিকার কমিটি র্যাবের বিরুদ্ধে অতীতে ওঠা বিভিন্ন বিতর্ক ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে নতুন বাহিনীতে ‘জবাবদিহিতা’ নিশ্চিত করতে ‘অভিযোগ প্রতিকার কমিটি’ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এই কমিটির সভাপতি হবেন একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক। কমিটিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর এবং মানবাধিকার ও আইন বিষয়ে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিরা থাকবেন। কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে হয়রানি বা অনিয়মের অভিযোগ উঠলে এই কমিটি তা তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবে।
খসড়া আইনে বাহিনীর সদস্যদের জন্য কঠোর শৃঙ্খলার বিধান রাখা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা, মাদকাসক্তি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশ অমান্য বা ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো অপরাধের জন্য বিভাগীয় শাস্তির পাশাপাশি নিজ বাহিনীতে ফেরত পাঠানোর বিধান রাখা হয়েছে। এমনকি কোনো সদস্য পালিয়ে গেলে তাকে গ্রেফতারের জন্য বিশেষ পরোয়ানার ব্যবস্থাও থাকছে।
র্যাব থেকে এসআরবি আইনটি কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে র্যাবের সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, জনবল, তহবিল, চলমান মামলা এবং প্রশাসনিক সকল দায়-দায়িত্ব স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসআরবি-এর অধীনে চলে আসবে। নতুন লোগো, পতাকা এবং পোশাকের মাধ্যমে বাহিনীটির নতুন পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। ২০০৪ সালে গঠিত হওয়ার পর গত দুই দশকে র্যাব আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমের মতো গুরুতর অভিযোগে বাহিনীটি দেশ-বিদেশে বিতর্কিত হয়। সেই প্রেক্ষাপটে বর্তমান সরকার বাহিনীটির আমূল সংস্কার ও নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে একে একটি আধুনিক ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোয় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
খসড়া আইনটি যাচাই-বাছাই ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে।
তথ্যসূত্র: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক শাখা।
আমাদের ডেস্ক : : অবশেষে অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী সোমবার (১০ আগস্ট)...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : এক দিনের বিশেষ সফরে আগামী রোববার (৯ আগস্ট) কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমা...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : আন্তর্জাতিক বাজারে টানা ঊর্ধ্বগতির প্রভাবে দেশের বাজারেও আকাশচুম্বী হয়েছে স্বর্ণের দাম। এক লাফ...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বদ...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : রাষ্ট্র পরিচালনার মূল উদ্দেশ্য হলো নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা এব...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited